এনার্জিটিক হেলথ ব্রেসলেট (7স্টোন)

বিশেষজ্ঞদের মতে বায়ূ দূষন, শব্দ দূষন,  পানি দূষনের মতো আরেকটি ক্ষতিকারক দূষন হলো তড়িৎ দূষন বা ইলেক্টো পলিউশন।

এই তরিৎ দূষনের সাথে যেমন যুক্ত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির তরিৎ কৌশল যন্ত্র সমূহ যেমন মাইক্রওয়েব ওভেন, হেয়ার ড্রায়ার, টোস্টার প্রভৃতি তেমনি তারহীন যোগাযোগ শিল্প।

এই তারহীন যোগাযোগ শিল্পেরই অনুষঙ্গ মোবাইল ফোন এবং এর বেস টাওয়ার। মোবাইল ফোন আমাদের যোগাযোগ ব্যাবস্থায় অভুতপূর্ব বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। জীবনকে করেছে গতিময় ও কর্মমূখর।

পাশাপাশি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এই মোবাইল ফোন প্রযুক্তির মাত্রাতিরক্ত অপ্রয়োজনিয় ও অনিয়মতান্ত্রিক অপব্যাবহার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের উপহার দিচ্ছে তরিৎ চুম্বুকিয় বিকিরন ।

এ ব্যাপারে আমরা কথা বলেছিলাম কয়েকজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গেঃ-

ডাঃ গোলাম মোঃ ভূঞা, অধ্যাপক, তাত্তিক পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় –

সমস্ত দুনিয়ার মানুষ এখন অনেক বেশী তরিৎ চুম্বুকিয় আঘাতের শিকার। ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার আর তাদের তথ্য মতে W.H.O.  বের করেছে  যে যদি এই ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশনে কেউ থাকে, এটা ডোজ লেভেলের ভিতরে হলেও তার ক্ষতিকারক দিক রয়েছে এবং লংটার্ম ব্যাবহার করলে এটাতে অনেক মারান্তক রোগের ঝুঁকি রয়েছে ।

অধ্যাপক, ডাঃ প্রাণ গোপল দত্ত , উপচার্য বঙ্গবন্দ শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ –

ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক ইমপাল্স এমন একটা জিনিষ যখন একটা মোবাইল ফোন থেকে যে পরিমান বিকিরন আমাদের শরীরে আসে বা বিকিরন নির্গত হয় সেটা হলো প্রতি ১৫ মিনিটে আমার কর্ন বা মস্তিস্কের তাপমাত্রাকে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়িয়ে দিতে পারে, আর ৩০ মিনিট কথা বললে বা মোবাইল ফোন কানে ধরে রাখলে আমাদের  মস্তিস্কের তাপমাত্রা বেড়ে যায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এবং একটা স্টেজে যেয়ে তদের ডাইলেটশন অফ দি ব্লাড ভেলেস এই পরিমানে চলে  যায় যে বিকিরনটা মস্তিস্কে পৌছে যায়।

তাহলে এই মোবাইল ফোনটা কানে ধরে রখার জন্য যে জিনিষটা হচ্ছে তাপমাত্রা সৃষ্টির জন্য সেটা হলো একটা মানুষের মস্তিস্কের ফেটিগনেসটা চলে আসে ।

ডাঃ  সেলিম চৌধুরী, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ –

সেলফোন একজন গর্ভবতী মা একদম প্রয়াজন না হলে ব্যাবহার করবে না। তেমনি একটি শিশুর কাছেও সেলফোনটি থাকা উচিত নয়, কারন এটি তার ক্রমবর্ধনশীল শরীরের স্নায়ু তন্ত্রকে প্রভাবিত করে । তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়,  এবং ঘুমানোর সময় একটি মোবাইল ফোন অন্তত ৫ থেকে ৬ ফিট দূরে রাখার কথা ।

আপনি কি মোবাইল ফোন ব্যাবহার করছেন ?

আপনি কি জানেন?

১০ বৎসরের মধ্যে সারাবিশ্বের নূন্যতম ৮০% মোবাইল ফোন ব্যাবহারকারী ব্রেন ক্যান্সার, ব্রেন হ্যামারেজ সহ আরও অনেক জটিল রোগের শিকার হবেন

-রাশিয়ান সায়েনটিস্ট এসোসিয়েশন

যে দশজন রুশ সাংবাদিক তাদের মুটোফোন দিয়ে একটি ডিম সিদ্ধ করেছিলেনঃ

মস্কোর কমসোমলস্কায়া  প্রাভাত প্রত্রিকায় ভ্লাদামির ণগোভোস্কি ও  আন্ডি মইসিনকো সিব্দান্ত  নিলেন, সেলফোন সরাসরি কিভাবে ক্ষতি করে তা আবিষ্কার করবেন।

সেলফোনের মাধ্যমে সিদ্ধ করাটা আসলে কোন যাদু নয়, রহস্যটি হলো রেডিওতরঙ্গ বা  মুটোফেন থেকে বিকিরিত হয়। সাংবাদিকেরা একটি সাধারন ক্ষদ্র তরঙ্গ কাটামো তৈরি করেছিলেন যা ছবিতে দেখানো হলো,

তারা এক সেলফোন হতে অন্যটায় কল করেন এবং উভয় ফোনকেই চলমান কথার ধরনে রাখলেন, তারা  একটি টেপ রের্কডার/ক্যাসেট প্লেয়ার ফোন দুটির কাছে রাখলেন, যাতে ক্যাসেট প্লেয়ারের গান/শব্দ উভয় ফোনের মধ্যে বিনিময় হয়।

১৫ মিনিট পর ডিমটা  কিছুটা উষ্ণ হলো।

২৫ মিনিট পর  ডিমটা  বেশ কিছুটা উষ্ণ হলো।

৪০ মিনিট পর ডিমটা খুব গরম হলো ।

৬৫ মিনিট পর  ডিমটা সিদ্ধ হয়ে গেলো (যা আপনারা দেখছেন) ।

উপাদান সমূহের বিবরন

Magnet:  চুম্বক ভিন্ন ভিন্ন উপাদান দিয়ে তৈরি হলেও চিকিৎসা থেরাপীতে ব্যবহৃত প্রধান দুই ধরনের চুম্বক হচ্ছে ফেরিট বা সিরামিক চুম্বক,  এবং নিয়োডাইসিয়াম চুম্বক।

আমাদের রক্তের একটি উপাদান হচ্ছে লোহিত কনিকা, এই লৌহ উপাদান থাকার কারনে রক্ত একটি চুম্বকীয় শক্তির পরিবাহীর মতো আচরন  করে। এ ক্ষেত্রে স্থির চুম্বক (Magnetic lons) শরীরের সাথে সরাসরি চামড়ার উপস্থাপন করলে এটি শরীরের রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।

ফলে রক্তে অক্সিজেন বৃদ্ধি পায় ফলে শরীরে বিভিন্ন টিস্যু বা কলা পুষ্টি লাভ করে। পান্তরে, বৈদ্যুতিক চুম্বকের (Electromagnetic) থেরাপী দূত  ফলদায়ক হলেও এর ক্রিয়াকাল সাময়িক।

Lightwave Stone:  লাইটওয়েভ স্টোনে আছে শক্তিশালী আলো ভেদন ক্ষমতা, উল্লেখযোগ্য মাত্রা প্রভাব এবং অনুরণন প্রভাব, জলকনিকা সক্রিয়করন, ব্লাড সার্কুলেশন উন্নত করে, ইম্যুন সিস্টেমের মেটাবলিজমকে তরান্বিত করে। আন্তির অবস্থার নিয়ন্ত্রন করে।

Germainium metal: জার্মেনিয়াম ইন্টারফেরন হতে সায়তা করে, শরীরের ইম্যুন সেলকে সক্রিয় করে। পরিক্ষায় দেখা গেছে  জার্মেনিয়াম ক্যান্সার  নিয়ন্ত্রন করে। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে পারে, মিস্তিস্কের টিস্যুকে সক্রিয় করে, মস্তিস্কের পুরনো কোষের গতি কমিয়ে দিয়ে বৃদ্ধ ব্যাক্তিদের ডিমেনশিয়া  রোধে ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে। শরীরের মাইক্রোর্সাকুলেশনকে উন্নত করে, ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রন করে, রক্তে আঠালো ভাব দূর  করে। উপরন্ত, এটি অথেরোস্কেরোসিস হতে রক্ষা করে। এটি শরীরের ইম্যুনেটিকে এডজাস্ট করতে পারে।

Germanium Powder: শরীরের ইম্যুন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি রোধ করে। শরীরে ব্লাড সার্কুলেশন স্বাভাবিক রাখে। মানবদেহকে সুস্থ সবল রাখতে সহায়তা করে।

Nano: ন্যানো ২১ দশকের একটি অতি গুরুত্বপূর্ন  প্রাডাক্ট, এটা বাহিরের তাপ শক্তি শোষন করে নিতে পারে, ফার-ইনফ্রারেড বিকিরন করে, কোষকে দেহে টিকে থাকতে সহায়তা করে , কোষের শক্তি বাড়ায়,  ব্লাড সার্কুলেশন  উন্নত করে, ইম্যুন সিস্টেমের মেটাবলিজমকে ত্বরান্নিত করে। উপরন্ত, এটি জিবানু ধ্বংস করে তার সুস্পস্ট ফলাফল আছে । ন্যানো হেলথ কেয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ন উপাদান।

Far Infrared Rey: এটা শরীরের মধ্যে পানির কণাকে সক্রিয় করে এবং শক্তিতে রুপান্তরিতো করে তাপ নির্গমন করে, ফলে দেহে তাপ উৎপন্ন হয়। ইহা শরীরে তাপ উৎপন্ন করার মাধ্যমে ঘমের সাথে জৈব বর্জ্য বের করে দেয়। ফলে এর ফলঅফল হয় খুবই লাভজনক। ঘামার কারনে ব্যাক্তির শরীরে থেকে বর্জ্য এবং ভারি ধাতু বের হয়ে যায়, যার ফলে শরীরে বিপকক্রিয়া শক্তিশালী হয়।

Negative Ion:  একটি আয়ন হচ্ছে একটি বৈদ্যুতায়িক ক্ষুদ্র কনিকা যা মানুষের খালি চোখ দ্বারা দেখা  যায়না। নেগেটিভ আয়ন শরীরের কান্তি দূর করে, আত্নাকে শান্ত করে, রক্তকে শুদ্ধ করে, কোষের মেটাবলিজমকে উন্নত করে, পরিাকতন্ত্রকে শক্তিশালী করে, বদ দূরে করে, ফুসফুসে কার্যকারীতা বৃদ্ধি করে এবং বায়ু পরিশোধনে সহায়তা করে তাই নেগেটিভ আয়ন বাতাসের ভিটামিন নামেও পরিচিত।

জার্মেনিয়াম (Germanium) কার্যকরী ভূমিকা

জার্মেনিয়াম আবিস্কার জাপানি বৈজ্ঞানিক Dr. Kazuhiko Asai এর মতে যে সকল রোগ প্রতিরোধ করেঃ

ক্যান্সার প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে সহায়তা করে।

লিভারের সমস্যা সমাধান করে এবং লিভারকে শক্তিশালী করে।

মানবদেহকে স্বাভাবিক অবস্থায় রাখতে সহায়তা করে।
Magnetic Eneargy has a beneficial effect on blood circulation lymph flow, hormone production, nerves and muscles.

বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে পন্য পেতে ফোন করুন-  88 01 624 624 624